আম্মুকে সারারাত ইনটারোগেশন করে যা পেলাম।
একটু ঝামেলায় ছিলাম সবকিছু নিয়ে। তাই গল্প লিখতে সময় লেগে গিয়েছে। বি:দ্র: উক্ত গল্প প্রায় পুরোটাই বাস্তব। হয়তো সামান্য কিছু ভুল থাকতে পারে। গতকাল রাত আটটার দিকে হঠাৎ পাশের ফ্ল্যাটের ভাইয়ারা এসে আম্মুকে বেঁধে ফেলে৷ আম্মুও অবাক হয়ে যায়। আমিও ভাবি নর্মালি আম্মুর সাথে যেটা হয় আরকি যে, এখন আম্মুকে সাধারণত যা টর্চার করা হয় সেগুলো করা হবে। আম্মুও এটাই ভেবে নেয়। সেজন্য আম্মু মেন্টালি অত্যাচারিত হওয়ার প্রিপারেশনও নিয়ে ফেলে। আর এসব যৌন নির্যাতন আম্মুর কাছে নতুন না। এটাও সবারই জানা। আম্মুকে একটা চেয়ারে বসানো হলো। এরকম চারটা চেয়ার আমাদের বাসায় আছে। মূলত টর্চার সেলে এরকম চেয়ার ইউজ করা হয়। ইমরান ভাইয়ার আব্বু আর্মি অফিসার বিধায় ভাইয়া কিভাবে যেনো সেনাবাহিনীর টর্চার সেল থেকে চারটা চেয়ার আনিয়েছে। পুরোটা চেয়ার ইলেক্ট্রিক করে ফেলা যায় আবার ডিল্ডো সেট করা যায় আরো অনেক ধরনের অমানবিক নির্যাতনের জন্য চেয়ার টা তৈরি করা। মূলত বিদেশি গোয়েন্দাদের জন্য এগুলো বানানো। কিন্তু বাংলাদেশে এগুলোর প্রয়োগ নেই বললেই চলে। আমার আম্মু, সানিমের আম্মু, রাফসানের আম্মুকে, সানিমের বোনকে মোটকথা আমাদের আম্মু আন্টিদের কে এখানে বসি...